আপডেট : ১২ এপ্রিল, ২০১৮ ২২:৪৪

জনপ্রতিনিধিরা ইংরেজি বুঝেন না; তাই...

অনলাইন ডেস্ক
জনপ্রতিনিধিরা ইংরেজি বুঝেন না; তাই...

বেশিরভাগ জনপ্রতিনিধিই ভালোভাবে ইংরেজি বুঝতে পারেন না। যে কারণে ইংরেজিতে করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) তারা না বুঝেই লঙ্ঘন করেন। এ বিষয়টি উপলব্ধি করে এবার আরপিওকে বাংলায় রুপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আরপিও অনুবাদে একজন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেয়া হবে। অনুবাদ শেষে কমিশনের সভায় আলোচনা করে এটি জাতীয় সংসদে পাঠানো হবে। 

বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত কমিশন বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের দেশের জনসাধারণ থেকে শুরু করে বেশিরভাগ জনপ্রতিনিধি ভাল করে ইংরেজি বোঝেন না। ফলে তাদের জন্য আরপিও বাংলায় অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানমের নেতৃত্বে একটি উপ-কমিটি আছে। এই কমিটি বর্তমান আরপিও’র ৩৫টি ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রস্তাব করেছে। কমিশন সভায় এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 

কমিশনাররা গভীরভাবে পর্যালোচনা করে দেখেছেন, সত্যিকার অর্থেই এগুলো পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) করা দরকার। জাতীয় সংসদে এটি উত্থাপনের আগে উপ-কমিটি কোনটি বাস্তবে গ্রহণযোগ্য, কোনটি গ্রহণযোগ্য নয়, তা প্রস্তাব আকারে পেশ করবে। ওই প্রস্তাব পাওয়ার পরে কমিশন আবার সভা করবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সমসাময়িক করে এবং জাতীয় সংসদে পাস করা যেন সহজ হয়, সেভাবে উপ-কমিটিকে কাজের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং যত দ্রুত সম্ভব এটি জমা দিতে বলা হয়েছে। আচরণবিধি সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, আচরণবিধি পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা হয়তো পরবর্তী সভায় আলোচনা হতে পারে। 

রোডম্যাপ থেকে কমিশন সরে আসছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনোভাবেই সরে আসছে না। প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী আগামী সংসদ নির্বাচন হবে কি না জানতে চাইলে হেলালুদ্দীন বলেন, ওই সময়ের আগেই যদি এটি শেষ করতে পারি, তখন ভেবে দেখা যাবে। 

কারণ, পরবর্তী সংসদ অধিবেশন যখন হবে, তার মধ্যে আমরা হয়তো সব কাজ শেষ করতে পারব না। চেষ্টা চলছে, পরবর্তী অধিবেশনে উত্থাপন করে পাস করা যাবে কি না তার ওপরই সবকিছু নির্ভর করবে।

উপরে