আপডেট : ২২ মে, ২০১৮ ১৯:৪৩

১০৪ সেনা কর্মকর্তার আজীবন কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
১০৪ সেনা কর্মকর্তার আজীবন কারাদণ্ড

২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে উৎখাতের জন্য করা ব্যর্থ অভ্যুত্থানে কমপক্ষে ২৬০ জন নিহত ও ২ হাজার ২০০ মানুষ আহত হয়। তারপর থেকে তুর্কি সরকার অভ্যুত্থান সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

এরপর দেড় লাখের বেশি সরকারি চাকরিজীবীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার জনকে। বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে প্রায় ২৮০ জন সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে। তাদের মধ্যে এর আগে ৫২ জনকে তুলনামূলক কম সাজা দেওয়া হয়েছে। আদালত সোমবার (২১মে) ১০৪ কর্মকর্তাকে আজীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয়। 

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়, তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের ইজমির শহরে অবস্থিত ওই আদালতে প্রেসিডেন্টকে গুপ্তহত্যার চেষ্টায় সহায়তার দায়ে আরও ২১ জনকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সময় একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠনে’র সদস্য হওয়ায় ৩১ জনকে ৭ থেকে ১১ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০১৬ সালে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের ঘটনায় তুরস্কের মুসলিম আধ্যাত্মিক নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনকে দায়ী করে থাকে দেশটির সরকার। তবে ১৯৯৯ সাল থেকে স্বেচ্ছায় নির্বাসনে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা গুলেন এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তাকে ফিরিয়ে দিতে তুরস্কের দাবিও নাকচ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

অভ্যুত্থানের সময় বিদ্রোহী সেনারা রাতের আঁধারে সরকারের পতন ঘটানো ও প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে। ওই সময় এরদোয়ান ছুটি কাটাতে একটি অবকাশযাপন কেন্দ্রে ছিলেন। তবে অভ্যুত্থানের মাত্র ১৫ মিনিট আগে তিনি সেখান থেকে চলে যান। এরই মধ্যে খবর পেয়ে তুরস্কের বেসামরিক মানুষ ও প্রেসিডেন্টের অনুগত সেনারা অভ্যুত্থান ব্যর্থ করে দেয়।

উপরে